ষাট গম্বুজ মসজিদ এর ইতিহাস ও বিস্তারিত

ষাট গম্বুজ মসজিদ

ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক মসজিদ হলো ষাট গম্বুজ মসজিদ।

বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদ গুলোর মধ্যে বৃহত্তম ও সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন হলো এই ষাটগম্বুজ মসজিদ। বাগেরহাট শহর থেকে প্রায় ৭ কিলো মিটার দূরে সুন্দরঘোনায় অবস্থিত এ প্রাচীন মসজিদ টি ধর্ম প্রচারক ও তৎকালীন স্থানীয় শাসক খানজাহান অালী ১৫ শতকে নির্মাণ করেন। মসজিদ টি বাইরের দিকে উত্তর -দক্ষিণে প্রায় ১৬০ ফুট ও পূর্ব পশ্চিমে প্রায় ১০৮ ফুট এবং দেয়াল প্রায় ৮.৫ ফুট পুরু। মসজিদটি মুলত ইটের তৈরি,সাথে রয়েছে খোদাইকৃত বিরল প্রস্তর অলঙ্করণ ও টেরাকোটার কারুকার্য।

অতুলনীয় নকশার এ মসজিদে অর্ধ-ডিম্বাকার এ অায়তকার গম্বুজ গুলোই এর ছাদ।এ জন্য একে ”ছাদ গম্বুজ” মসজিদও বলা হতো। কেউ কেউ বলেন,এটাই রুপান্তরিত হয়ে পরবর্তিতে “ষাটগম্বুজ মসজিদ” নামকরণ হয়েছে।

মসজিদটিতে ৬০ টি স্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর ৭৭টি এবং চারকোণায় ৪ টি মিনার নিয়ে মোট ৮১টি গম্বুজ রয়েছে।মসজিদটির ভিতরে পশ্চিম দেয়ালে ১০টি মেহরাব রয়েছে।মসজিদের পূর্ব দেয়ালে বড় একটিসহ ১১টি,উত্তর ও দক্ষিণে ৭ টি করে ১৪ টি এবং পশ্চিমে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি নিয়ে মোট ২৬ টি দরজা রয়েছে। সুলতানি অামলের অনন্য স্থাপত্যশৈলীর এ মসজিদকে ১৯৮৫ সালে UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য হিসাবে ঘোষণা করে এবং বাগেরহাট কে ঐতিহাসিক মসজিদের শহর হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।

[the_ad id=”1420″]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page