কিভাবে করলে সন্তান হয়!!

গর্ভস্থ সন্তানের লি-ঙ্গ নির্ধারণের পরীক্ষা করানো বেআইনি। এ কথা আমরা সকলেই জানি। তবুও পুত্র বা কন্যা সন্তান নিয়ে আমাদের অনেক রকম স্বপ্ন থাকে। কিন্তু সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ তো আর মানুষের হাতে নেই।

Bengali doctor photo
Doctor Photo

গর্ভস্থ সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে একচ্ছত্র অধিকার প্রকৃতির। কিন্তু সেই রহস্য আবিষ্কার করে ফেলার দাবি করছেন একদল ব্রিটিশ গবেষক। এ বিষয়ে একেবারে নিশ্চিত হবার তেমন কোনও উপায় না থাকলেও, ছোট্ট একটি প্রাকৃতিক কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।

মূলত, শারীরিক ঘনি-ষ্ঠতার সময়ের ওপরে নির্ভর করে এই পদ্ধতি। সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে, তা কী করে নিয়ন্ত্রণ করে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময়?এ ক্ষেত্রে প্রথমেই দু’টি বিষয়ে ভাল করে জানতে হবে, বুঝতে হবে।

একটি হল ওভি’উলেশন বা ডি’ম্বপাত নামের প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে, আরেকটি হল স্পা-র্ম বা শু-ক্রাণু কী ভাবে একে প্রভাবিত করে। প্রথমে দেখা যাক ডি-ম্বপাত বা ওভিউলেশনের প্রক্রিয়াটি কী ভাবে কাজ করে।ডিম্বপাত প্রক্রিয়া: নারী শরীরে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা থাকে যখন ওভিউলেশন হয়। ডিম্বপাতের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। কারণ, ডিম্ব কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা।

কিন্তু শু’ক্রাণু নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকতে পারে। সুতরাং, এই সময়ের মধ্যে গর্ভধারণ করা যাবে তা জানা গেল। এবার জেনে নেওয়া যাক, সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে, তা কী ভাবে ঠিক করা যেতে পারে। আর সে জন্য জানতে হবে শু’ক্রাণুর প্রভাব সম্পর্কে। শু-ক্রাণুর প্রভাব: X ক্রোমোজোম বিশিষ্ট শু’ক্রাণু দ্বারা ডি’ম্ব নিষিক্ত হবার কারণে সন্তান মেয়ে হয় আর Y ক্রোমোজোমের কারণে ডি’ম্ব নিষিক্ত হলে সন্তান

হবে ছেলে। Y শু’ক্রাণু তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট, কিন্তু বেশ দ্রুতগামী। তারা খুব বেশিক্ষণ জীবিত থাকে না। এ দিকে X শু’ক্রাণু বেশ বড় এবং ধীরগতির, কিন্তু তারা আবার একটু বেশ সময় বাঁচে। সন্তান হিসেবে ছেলে চাইলে Y শু’ক্রাণু যাতে খুব দ্রুত ডি’ম্বের কাছাকাছি যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। এর জন্য নারীর যে দিন ডি’ম্বপাত হচ্ছে সে দিনেই মিলিত হওয়াটা জরুরি। না হলে শু-ক্রানুটি আর তেমন কার্যকরী

থাকবে না। আবার আপনি যদি কন্যা সন্তান চান তবে ডিম্বপাতের দুই থেকে তিন দিন আগে মিলিত হতে হবে। ডি-ম্বপাত হবার আগেই সব Y শু’ক্রাণু মারা যাবে, ফলে সন্তান ছেলে হবার সম্ভাবনা কমে যাবে অনেকটাই। বেঁচে থাকবে শুধু মাত্র X শু-ক্রাণুগুলি। ফলে কন্যা সন্তান হবার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে।

তবে এই প্রতিবেদন কোনও ভাবেই শুধুমাত্র কন্যা সন্তান বা শুধুমাত্র পুত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার বিষয়টিকে উৎসাহিত করার জন্য নয়। এটি শুধুমাত্র একটি গবেষণালব্ধ তত্ব। পুত্র বা কন্যা সন্তান, যাই হোক না কেন, সন্তান লাভ সব ক্ষেত্রেই জীবনের এক অনন্য অভিজ্ঞতা। আরো পড়ুন> যে বিষয়গুলি মেয়েরা কখনোই ছেলেদের কাছে বলে না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page